বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান - বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান

ভ্রমণ বিলাসী মানুষের জন্য বাংলাদেশ বেশ অনেকগুলো দর্শনীয় স্থান রয়েছে। আপনি আপনার ক্লান্তি দূর করার জন্য অথবা অবসর সময় কাটাতে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান গুলো ঘুরে দেখতে পারেন। আজকে আমরা আলোচনা করব বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান এবং বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান সমূহ নিয়ে।

আপনি যদি ভ্রমণ বিলাসী হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই ভ্রমণ শুরু করার আগে আপনার জেনে নেওয়া উচিত বাংলাদেশের 64 জেলার দর্শনীয় স্থান এবং বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানগুলো সম্পর্কে। জেলার দর্শনীয় স্থান এবং বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানগুলো সম্পর্কে ধারণা না থাকে তাহলে ঘাবড়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই , কারণ এই পোস্টের মধ্যে আমরা আলোচনা করব বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান এবং বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান গুলো নিয়ে । দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান এবং বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো সম্পর্কে।

সূচিপত্রঃ বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান - বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান

বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই জেনে রাখা উচিত যে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান গুলোর নাম সম্পর্কে। আপনি কি বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান গুলোর নাম জানেন? আপনি যদি বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থানগুলোর নাম না জেনে থাকেন তাহলে ঘাবড়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই এখনই এই পোস্টটি পড়ার মাধ্যমে আপনি জেনে নিতে পারবেন বাংলাদেশের 64 জেলার দর্শনীয় স্থান গুলোর নাম সম্পর্কে। চলুন তাহলে আর দেরি না করে আমরা শুরু করে ফেলি বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান গুলোর নাম।

নিচে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার নাম এবং দর্শনীয় স্থানগুলো একে একে তুলে ধরা হলো। প্রথমেই আমরা শুরু করছি বাগেরহাট জেলা। নিচের তালিকা আকারে বাগেরহাট জেলার দর্শনীয় স্থানগুলোর নাম উল্লেখ করা হলো

বাগেরহাট জেলাঃ বাগেরহাট জেলায় যে সকল দর্শনীয় স্থানগুলো রয়েছে সেগুলো হল

  • সিংগাইর মসজিদ
  • জাদুঘর
  • নয় গম্বুজ মসজিদ
  • ষাট গম্বুজ মসজিদ
  • অযোধ্যা মঠ
  • খান জাহান আলী (রা) এর মাজার

বান্দরবান জেলাঃ বান্দরবান জেলায় যে সকল দর্শনীয় স্থান রয়েছে সেগুলো হল

  • শৈলপ্রপাত ঝরনা
  • চিম্বুক পাহাড়
  • প্রান্তিক লেক
  • কেম্লন জলাশয়
  • আলীর সুরঙ্গ
  • স্বর্ণ মন্দির
  • কেওক্রাডং (বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পর্বত)
  • চিম্বুক পাহাড়
  • মেঘনা পর্যটন কমপ্লেক্স
  • দেবতা মুখ
  • তাজিংডং(বাংলাদেশের বৃহত্তম পর্বত)
  • নাগালেগ
  • নীলগিরি
  • নীলাচল

বগুড়া জেলাঃ বগুড়া জেলার মধ্যে দর্শনীয় যে স্থানগুলো রয়েছে সেগুলো হলো

  • মহাস্থানগড়
  • সান্তাহার
  • বেহুলার বাসর ঘর
  • মহাস্থান জাদুঘর
  • বাবুর পুকুরের গণকবর
  • পাঁচ পীর মাজার
  • পানিবন্দর
  • মোহাম্মদ আলী প্যালেস মিউজিয়াম

বরগুনা জেলাঃ বরগুনা জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো নিম্নরূপ,

  • বিহঙ্গদ্বীপ
  • রাখাইন পল্লী
  • সিডর সিটি স্তম্ভ।
  • মোহনা পর্যটন কেন্দ্র
  • বিবিচিনি শাহী মসজিদ
  • ইকোপার্ক

মুন্সীগঞ্জ জেলাঃ মুন্সিগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো হল

  • ফেরিঘাট
  • আড়িয়াল বিল
  • ভাগ্য ফুলের জমিদার বাড়ি
  • পদ্মা রিসোর্ট
  • সোনা রং জোড়া মোড়
  • বাবা আদম শহীদ মসজিদ
  • নটেশ্বর বৌদ্ধবিহার
  • মীর কাদিম ব্রিজ
  • ইন্দ্রকপুর দুর্গ
  • নগর কসবা

ফরিদপুর জেলাঃ ফরিদপুর জেলায় যে সকল দর্শনীয় স্থান রয়েছে সেগুলো হল

  • পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বাড়ি
  • আলিপুর মসজিদ
  • সাতৈর জামে মসজিদ
  • কানাইপুর জমিদার বাড়ি
  • পাতরাইল মসজিদ
  • শিব মন্দির
  • গেরদা ফলক

টাঙ্গাইল জেলা ঃ টাঙ্গাইল জেলার মধ্যে যে সকল দর্শনীয় স্থান রয়েছে ওগুলো হলো

  • মহেরা জমিদার বাড়ি
  • পরীর দালান
  • যমুনা রিসোর্ট
  • বঙ্গবন্ধু সেতু
  • বাসুলিয়া বিল
  • গুপ্ত বৃন্দাবন
  • সাগরদিঘী
  • নবাব মঞ্জিল
  • মধুপুর জাতীয় উদ্যান
  • নাগপুর চৌধুরী বাড়ি
  • কাদিম হামজানি মসজিদ।

গাজীপুর জেলাঃ গাজীপুর জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো হল, 

  • সাহেবা গার্ডেন রিসোর্ট
  • অঙ্গনা রিসোর্ট
  • বেলায় বিল
  • বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
  • রাঙ্গামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট
  • স্প্রিং ভ্যালি
  • আনসার একাডেমি
  • মনপুরা পার্ক
  • রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট

গোপালগঞ্জ জেলাঃ গোপালগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো হল

  • বঙ্গবন্ধুর সমাধি
  • উজানীর রাজবাড়ি
  • আড়পাড়া মুন্সিবাড়ি
  • কবি সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের পৈত্রিক বাড়ি
  • ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ি
  • বিল রুট কেনেল
  • চন্দ্রঘাট
  • গিরিশচন্দ্র সেনের বাড়ি
  • শাপলা বিল

কিশোরগঞ্জ জেলাঃ কিশোরগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো হল

  • সত্যজিৎ রায়ের কর্তৃক বাড়ি
  • জঙ্গলবাড়ি দুর্গ।
  • ১১ সিন্ধুর দুর্গ
  • নিকোলি হাওর
  • ওয়াচ টাওয়ার
  • ভৈরব সেতু
  • শোলাকিয়া ঈদ্গা মাঠ
  • পাগলা মসজিদ

মাদারিপুরঃ মাদারীপুর জেলা দর্শনীয় স্থান

  • শকুনি লেক
  • পর্বতের বাগান
  • নীলকুঠি
  • সেনাপতির দিঘি
  • ঝাউদি গিরি
  • রাজা রামমোহন রায়ের বাড়ি
  • মিঠাপুকুর জমিদার বাড়ি

 মানিকগঞ্জ জেলাঃ মানিকগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান

  • তেউতা জমিদার বাড়ি
  • স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট
  • আরিচা ঘাট
  • বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
  • নাহার গার্ডেন পিকনিক স্পট

নরসিংদীঃ নরসিংদীর দর্শনীয় স্থান

  • উয়ারী বটেশ্বর
  • লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি 
  • আশ্রাবপুর মসজিদ
  • সোনাইমুড়ি টেক
  • দেওয়ান শরিফ মসজিদ
  • বালাপুর জমিদার বাড়ি
  • বেলাবো বাজার জামে মসজিদ

নারায়ণগঞ্জঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান

  • পানাম নগর
  • জিন্দা পার্ক
  • বন্দর শাহী মসজিদ
  • তাজমহল
  •  বারদী লোকনাথ আশ্রম
  • সাইরা গার্ডেন রিসোর্ট
  •  সোনাকান্দা দুর্গ ও হাজীগঞ্জ দুর্গ
  • সাতগ্রাম জমিদার বাড়ি
  •  পন্ড গার্ডেন পার্ক
  • বিবি মরিয়ম মসজিদ সমাধি
  • চোরদার চোর

নরসিংদী জেলাঃ নরসিংদী জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ

  • লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি
  • দেওয়ান শরীফ মসজিদ
  • উয়ারী বটেশ্বর
  • ড্রিম হলিডে পার্ক
  • লটকন বাগান
  • মনু মিয়া জমিদার বাড়ি
  • গিরিশচন্দ্র সেনের বাড়ি
  • শাহ ইরানি মাজার

রাজবাড়ী জেলাঃ রাজবাড়ী জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ হলো

  • কল্যাণ দিঘী
  • নলিয়া জোর বাংলা মসজিদ
  • নীলকুঠি
  • শাহ পালোয়ানের মাজার
  • সমাধিগর মঠ

শরীয়তপুর জেলাঃ শরীয়তপুর জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ

  • সুরেশ্বর দরবার শরীফ
  • বুড়িরহাটের মসজিদ
  • ময়মনসিংহের বাড়ি
  • শিবলিঙ্গ
  • রামসাদুর আশ্রম
  • রুদ্রকর মঠ

সিলেট জেলাঃ সিলেট জেলার দর্শনীয় স্থান 

  • জাফলং
  • রাতারগুল সোয়াম্ ফরেস্ট
  •  লোভা ছড়া
  • সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা
  • লালা খাল
  • খাদিম নগর ন্যাশনাল পার্ক
  • হযরত শাহজালাল (রাঃ) মাজার
  • লাক্কাতুরা চা বাগান
  • ডিবির হাওর 
  • হযরত শাহ পরান (রাঃ) মাজার
  • মালনি ছড়া চা বাগান
  • পান্তুমাই ঝর্ণা
  • বিছানাকান্দি
  • মনিপুরী রাজবাড়ী

মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজারের দর্শনীয় স্থান

  • চা জাদুঘর
  • মনিপুরী পল্লী
  • লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
  • মাধবকুণ্ড ইকোপার্ক ও ঝর্ণা
  • হাইল হাওর
  • দুসাই রিসোর্ট
  • পরিকুণ্ড জলপ্রপাত
  •  গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট
  • আদমপুর বন
  • বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট
  • বাইক্কা বিল

হবিগঞ্জঃ হবিগঞ্জের দর্শনীয় স্থান

  • সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান 
  • গ্রিনল্যান্ড পার্ক
  •  মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসম্ভ
  •  বানিয়াচংগ্রাম
  •  মাধবপুর মাধবপুর
  •  রেমাকেলেঙ্গা

সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জের দর্শনীয় স্থান

  • নীলাদ্রিলেক
  •  শিমুল বাগান 
  • নারায়ণ তলা
  •  বারিক্কা টিলা
  •  লাউয়ের গড় 
  • পাগলা মসজিদ
  •  পাইল গাও
  •  জমিদার বাড়ি 
  • লালঘাট ঝর্ণাধারা
  •  হাসন রাজা মিউজিয়াম

যশোরঃ যশোরের দর্শনীয় স্থান

  • হাজী মোহাম্মদ মহসিন এর ইমাম  বারা
  • ভরত ভায়োন 
  • রাজবাড়ী 
  • মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি
  •  হাম্মাম খানা
  •  হনুমান গ্রাম 
  • পুরা খালির বাওর
  •  বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক 
  • রাজধানী গদখালি
  •  বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সমাধি
  •  ভাটপাড়া জগন্নাথ ধামা 
  • যশোর কালেক্টরেট ভবন

খুলনাঃ খুল্রনার দর্শনীয় স্থান

  • রুপসা নদী
  • বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের মাজার
  •  কটকা সমুদ্র সৈকত
  • করমজল পর্যটন কেন্দ্র 
  •  ধর্ম সভা আর্য মন্দির 
  • রবীন্দ্রনাথের শ্বশুর বাড়ি
  •  রূপসা নদী ও রুপসা ব্রিজ
  •  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
  • ভৈরব  নদী 
  • ১১ শিব মন্দির 
  • খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর
  • জাতিসংঘ পার্ক
  •  গল্পামারি বধ্যভুমি  শহীদস্মৃতি  সৌধ

সাতক্ষীরাঃ সাতক্ষীরার দর্শনীয় স্থান

  • জমিদার বাড়ি
  •  যশরেরশ্বরী মন্দির 
  • নীলকুঠি 
  • লাকসা 
  •  বৌদ্ধমঠ
  •  তেতুলিয়া জামে মসজিদ 
  • নলতা রওজা শরীফ
  •  সাত্তার মোড়লের স্বপ্ন বাড়ি
  •  মান্দার বাড়িয়া সমুদ্র সৈকত

মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের দর্শনীয় স্থান

  • মেহেরপুর  শহীদ স্মৃতিসৌধ
  • আমদহ গ্রামের স্থাপত্য
  •  ভাটপাটা নীলকুঠি
  •  ভবানন্ধপুর মন্দির
  • সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির
  •  আমঝুপি নীলকুঠি 
  • মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সৌধ ও কমপ্লেক্স
  • নড়াইল নড়াইলের দর্শনীয় স্থান
  • বাধাঘাট অরুনিমা কান্ট্রিসাইড এন্ড গোল্ফ
  • চিত্রা রিসোর্ট
  • বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ নূর মোহাম্মদ শেখ কমপ্লক্স
  •  নিরিবিলি পিকনিক স্পট 
  • সুলতান কমপ্লেক্স 
  • স্বপ্ন বিথি পিকনিক স্পট
  •  নিহার রঞ্জন গুপ্তের বাড়ি 
  • জোর বাংলা মন্দির

চুয়াডাঙ্গাঃ চুয়াডাঙ্গার দর্শনীয় স্থান

  • শিশুসর্গ
  • দুয়া বাওর
  • পুলিশ পার্ক 
  • কাশিপুর জমিদার বাড়ি
  •  চুয়াডাঙ্গা বড় মসজিদ 
  • আলমডাঙ্গা বদ্ধভূমি
  • ডীসি ইকোপার্ক
  • পিওর বিলা বাদশাহী মসজিদ
  • ঠাকুরপূর জামে মসজিদ 
  • কেরু সুগার মিলস এন্ড ডিস্টিলারি
  • দত্তনগর কৃষি খামার
  • নাটূদহের কাঠ কবর

 কুষ্টিয়াঃ কুষ্টিয়ার দর্শনীয় স্থান

  •  লালন সাঁইজির মাজার
  • মীর মোশাররফ হোসেনের বাস্তভিটা
  • শাহী মসজিদ
  • লালন শাহ সেতু
  • হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
  • রবীন্দ্র পুঠিবাড়ি
  • ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
  • পরিমল থিয়েটার
  • মোহিনীমিল
  • টেগর লজ
  • রেইন উইক বাধ।

মাগুরাঃ মাগুরার দর্শনীয় স্থান

  • কবি কাজী কাদের নেওয়াজ এর বাড়ি
  • রাজা সীতারাম রায়ের প্রসাদ দুর্গ
  •  বিরাট রাজার বাড়ি
  • পীর তোয়াউদ্দিনের মাজার
  • চন্ডীদাস ও কিনির ঐতিহাসিক ঘাট
  •  ভাতের ভিটা ঢিবি
  • ত্রিপুর জমিদার বাড়ি মন্দির

ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহের দর্শনীয় স্থান

  • বারোবাজার
  • কেপিবসুর বাড়ি
  • গাজী কালু ও চম্পাবতীর মাজার
  •  নলডাঙ্গা রাজবাড়ী রিসোর্ট
  • লালন শাহের ভিটা
  • গলাকাটা মসজিদ
  • মিয়ার দালান
  • ঢোল সমুদ্র দীঘি
  • জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্ক এন্ড রিসোর্ট

 বরিশালঃ বরিশালের দর্শনীয় স্থান

  • ৩০ গোডাউন
  •  শাপলা গ্রাম
  • মিয়া বাড়ি জামে মসজিদ
  • কসবা মসজিদ
  • বিবির পুকুরপাড়
  •  শংকর মাঠ
  • লাটুরিয়া জমিদার বাড়ি
  • কলস কাঠি জমিদার বাড়ি
  •  গুটিয়া মসজিদ
  •  অক্সফোর্ড মিশন গির্জা 
  •  উলানিয়া জমিদার বাড়ি
  •  কীর্তনখোলা নদী

ঝালকাঠিঃ ঝালকাঠির দর্শনীয় স্থান

  • শিববাড়ি বাড়ি মন্দির ও ঠাকুর বাড়ি
  •  গাবখানা সেতু 
  • সিটি পার্ক
  • পেয়ারা বাগান ও ভাসমান বাজার
  • সুজাবাদ কেল্লা 
  • মিয়াবাড়ি
  • শেরে বাংলার নানাবাড়ি
  • বেশ্নাই মল্লিকের দিঘি
  • সাতুরিয়া জমিদার বাড়ি
  • কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়ি
  • ধান্সিড়ী ইকোপার্ক

পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর দর্শনীয় স্থান

  • সোনারচর
  •  সীমা  বৌদ্ধ বিহার
  •  পানির জাদুঘর বন
  • ফাতরার বন
  • কুয়াকাটার কুয়া 
  • কুয়াকাটার বৌদ্ধ মন্দির
  • শুটকি পল্লী
  •  কানাই বলাই  দিঘী
  •  লেবুর চর
  • পায়রা সমুদ্র বন্দর
  • ক্রাব আইল্যান্ড
  • মজিদবাড়িয়া মসজিদ
  • কালাই প্রাচীন মন্দির
  • কুয়াকাটা সমুদ্র বন্দর 

ফিরোজপুরঃ পিরোজপুর জেলার দর্শনীয় স্থান

  • রায়ের কাঠি জমিদার বাড়ি
  • ভাসমান পেয়ারা বাজার
  • পারেড হাট বাড়ি
  • ডিসি পার্ক
  • মমিন মসজিদ

ভোলাঃ ভোলা জেলার দর্শনীয় স্থান

  • মনপুরা দ্বীপ
  • ওয়াচ টাওয়ার
  • বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল জাদুঘর
  • ঢালচর
  • দেউলা তালুকদার বাড়ি

বরগুনা জেলাঃ বরগুনা জেলার দর্শনীয় স্থান 

  • হরিণঘাটা বনাঞ্চল
  • বিবিচিনি মসজিদ
  • লালদিয়ার বন ও সমুদ্র সৈকত
  • কুমিরমারার বন
  •  রাখাইনপল্লী
  • তালতলীর বৌদ্ধ মন্দির

চট্টগ্রামঃ চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থানসমূহ

  • আগুনিয়া চা বাগান
  • চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা
  • সন্দ্বীপ সমুদ্র সৈকত
  • কমনওয়েলথ ওয়ার সেমেট্রি
  • চন্দ্রনাথ মন্দির (সীতাকুণ্ড)
  • চেরাগী পাহাড়
  • চাঁদপুর-বেলগাঁও চা বাগান (বাঁশখালী)
  • জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর
  • বাটালী হিল
  • পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত
  • ফয়েজ লেক
  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  • বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি
  • সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক (সীতাকুণ্ড)
  • বাঁশখালী ইকোপার্ক
  • বৌদ্ধ তীর্থস্থান চক্রশালা (পটিয়া)
  • লোহাগাড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
  • কমলদহ ঝর্ণা
  • গুলীয়াখালী সমুদ্র সৈকত (সীতাকুণ্ড)
  • বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত (সীতাকুণ্ড)
  • সুপ্তধারা, সহস্রধারা, সহস্রধারা-২ ঝর্ণা (সীতাকুণ্ড)
  • খৈয়াছড়া ঝর্ণা (মীরসরাই)
  • মেধস মুনির আশ্রম
  • মিনি বাংলাদেশ (কালুরঘাট)
  • খেজুরতলা বীচ
  • কুমারীকুণ্ড (সীতাকুণ্ড)
  • হাজারিখিল অভয়ারণ্য (ফটিকছড়ি)
  • বায়েজীদ বোস্তামীর মাজার
রাঙ্গামাটিঃ রাঙ্গামাটি জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ
  • কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  • কাপ্তাই হ্রদ
  • ঝুলন্ত সেতু
  • শুভলং ঝর্ণা
  • হাজাছড়া ঝর্ণা
  • পেদা টিং টিং
  • টুকটুক ইকো ভিলেজ
  • রাজবন বিহার
  • ঐতিহ্যবাহী চাকমা রাজার (রাজবাড়ি)
  • সাজেক ভ্যালী
  • কমলক ঝর্ণা (সাজেক)
  • মুপ্পোছড়া ঝর্ণা
  • ধুপপানি ঝর্ণা (বিলাইছড়ি)
  • রাইখং লেক (বিলাইছড়ি)
  • চাকমা রাজার রাজবাড়ি
  • ওয়াগ্গা চা এস্টেট
  • উপজাতীয় যাদুঘর

বান্দরবান জেলাঃ বান্দরবান জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ

  • প্রান্তিক হ্রদ, জীবননগর এবং কিয়াচলং হ্রদ
  • মেঘলা
  • সাঙ্গু নদী
  • তাজিংডং এবং কেওক্রাডং
  • বগা লেক
  • সাইরু হিল রিসোর্ট
  • লামা
  • প্রান্তিক লেক
  • মারায়ন ডং 
  • কংদুক বা যোগী হাফং
  • বাকলাই ঝর্ণা

খাগড়াছড়ি জেলাঃ খাগড়াছড়ি জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ

  • হাতি মাথা
  • দেবতা পুকুর
  • নিউজিল্যান্ড পাড়া
  • হর্টিকালচার ব্রিজ
  • অপু ঝর্ণা
  • মায়াবিনি লীগ
  • রামু বুদ্ধমন্দির
  • বিডিআর স্মৃতিসৌধ

কক্সবাজারঃ কক্সবাজারের দর্শনীয় স্থানসমূহ

  • রামু বৌদ্ধবিহার
  • সোনাদিয়া দ্বীপ
  • হিমছড়ি
  • ছেড়া দ্বীপ
  • সেন্ট মার্টিন
  • সুগন্ধা পয়েন্ট 
  • ইনানী বিচ

চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ চাপাই নবাবগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ

  • বাবু ডাইং
  • মহানন্দা নদী 
  • ২য় মহানন্দা সেতু 
  • ঐতিহাসিক আলী শাহপুর মসজিদ (নাচোল)
  • ষাঁড়বুরুজ, গোমস্তাপুর (রহনপুর)
  • ছোট সোনা মসজিদ
  • দারাসবাড়ি মসজিদ 
  • দারাস বাড়ি মাদ্রাসা ও চল্লিশঘর 
  • খঞ্জনদীঘির মসজিদ 
  • চামচিকা মসজিদ 
  • তাহখানা কমপ্লেক্স
  • তিন গম্বুজ মসজিদ 
  • শাহ্ নেয়ামতউল্লাহ (রহঃ) ও তাঁর মাজার 

জয়পুরহাটঃ জয়পুরহাট জেলার ঐতিহাসিক স্থান

  • শিবালয় মন্দির
  • লকমা রাজবাড়ী
  • নন্দাইল দিঘী
  • দুয়ারী ঘাট
  • শিশু উদ্যান
  • আছরাঙ্গা দিঘী
  • হিন্দা-কসবা শাহী মসজিদ

নওগাঁ জেলাঃ নওগাঁ জেলার ঐতিহাসিক স্থান

  • ডানা পার্ক
  • কুসুম্বা মসজিদ
  • পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার
  • সাঁওতাল পাড়া
  • ভিমের পান্টি
  • ঠাকুর মন্দির
  • হলুদ বিহার
  • জবাই বিল
  • পরিষদ পার্ক

রাজশাহী জেলাঃ রাজশাহী জেলার দর্শনীয় স্থান

  • বরেন্দ্র জাদুঘর
  • পুঠিয়া রাজবাড়ী
  • তুলসী কেন্দ্র
  • সাফিনা পার্ক
  • পুঁটিয়া মসজিদ
  • বাঘা মসজিদ
  • পদ্মার পাড়
  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  • কেন্দ্রীয় উদ্যান
  • হজরত শাহ মখদুম রুপোশ (রহঃ) এর মাজার
  • গজমতখালী ব্রীজ

নাটোরঃ নাটোরের দর্শনীয় স্থানসমূহ
  • নাটোর রানী ভবানী রাজবাড়ী
  • দয়ারামপুর রাজবাড়ি
  • বনপাড়া লুর্দের রানী মা মারিয়া ধর্মপল্লী
  • বোর্ণী মারীয়াবাদ ধর্মপল্লী
  • শহীদ সাগর
  • চলনবিল
  • উত্তরা গণভবন
  • চলন বিল জাদুঘর

পাবনাঃ পাবনা জেলার দর্শনীয় স্থান

  • লালন শাহ সেতু
  • মানসিক হাসপাতাল
  • জোড়া মন্দির
  • শাহী মসজিদ
  • ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র
  • জগন্নাথ মন্দির
  • প্রশান্তি ভুবন
  • রাজা রায় বাহাদুর এর বাড়ি
  • শিতলাই  জমিদার বাড়ি

বগুড়া জেলাঃ বগুড়া জেলার দর্শনীয় স্থান

  • মহাস্থানগড়
  • ঐতিহাসিক যোগীর ভবনের মন্দির
  • পাঁচপীর মাজার কাহালু
  • বেহুলা লক্ষিণদ্বর (গোকুল মেধ)
  • বাবুর পুকুরের গণকবর (শাজাহানপুর)
  • সান্তাহার সাইলো
  • দেওতা খানকাহ্ মাজার শরিফ (নন্দীগ্রাম)
  • সাউদিয়া সিটি পার্ক
  • সারিয়াকান্দির পানি বন্দর
  • পোড়াদহ মেলা
  • মনকালীর কুণ্ডধাপ
  • বিহারধাপ (শিবগঞ্জ)
  • পরশুরামের প্রাসাদ
  • খেরুয়া মসজিদ
  • ভীমের জাঙ্গাল

সিরাজগঞ্জ জেলাঃ সিরাজগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান

  • হার্ড পয়েন্ট
  • নবরত্ন মন্দির
  • শাহজাদপুর মসজিদ
  • যমুনা বহুমুখী সেতু
  • ইকোপার্ক
  • রবি ঠাকুরের কুঠি বাড়ি
  • শিব মন্দির

শেরপুরঃ শেরপুরের দর্শনীয় স্থান
  • কলা বাগান
  • গজনী অবকাশ কেন্দ্র
  • গড়জরিপা বার দুয়ারী মসজিদ
  • গোপী নাথ ও অন্ন পূর্ন্না মন্দির
  • ঘাঘড়া খান বাড়ি জামে মসজিদ
  • জিকে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
  • নয়আনী জমিদার বাড়ি
  • নয়আনী জমিদার বাড়ির রংমহল
  • নয়াবাড়ির টিলা
  • পানিহাটা-তারানি পাহাড়
  • পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি
  • বারোমারি গীর্জা ও মরিয়ম নগর গীর্জা

নেত্রকোনা জেলাঃ নেত্রকোনা জেলার দর্শনীয় স্থান

  • কমলা রাণীর দিঘী
  • কমরেড মণি সিংহ-এর স্মৃতি বিজড়িত বাড়ি ও স্মৃতিস্তম্ভ - দুর্গাপুর উপজেলা
  • কুমুদীনি স্তম্ভ - দুর্গাপুর উপজেলা
  • সোমেশ্বরী নদী - দুর্গাপুর উপজেলা
  • ডিঙ্গাপোতা হাওর - মোহনগঞ্জ উপজেলা
  • চরহাইজদা হাওর

জামালপুর জেলাঃ জামালপুর জেলার দর্শনীয় স্থান

  • মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টর
  • কমলাপুর স্থলবন্দর
  • পাকশী বাণিজ্য কেন্দ্র
  • দিঘীরপাড়
  • যমুনা সিটি পার্ক
  • রহমত শাহ জামাল (র) মাজার
  • রহমত শাহ কামাল (র) মাজার

ময়মনসিংহ জেলাঃ ময়মনসিংহ জেলার দর্শনীয় স্থান

  • বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  • মুক্তাগাছা রাজবাড়ী
  • ময়মনসিংহ জাদুঘর
  • সার্কিট হাউস
  • কুমির খামার
  • গারো পাহাড়
  • নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র

নীলফামারী জেলাঃ নীলফামারী জেলার ঐতিহাসিক স্থানসমূহ

  • ময়নামতি দুর্গ
  • হরিশচন্দ্রের পাঠ
  • তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প
  • নীলফামারী জাদুঘর

লালমনিরহাট জেলাঃ লালমনিরহাট জেলার দর্শনীয় স্থান

  • তিস্তা ব্যারাজ ও অবসর রেস্ট হাউস
  • বুড়িমারী স্থলবন্দর
  • শেখ ফজলল করিমের বাড়ি ও কবর
  • তুষভান্ডার জমিদারবাড়ি
  • কাকিনা জমিদারবাড়ি
  • নিদাড়িয়া মসজিদ
  • হারানো মসজিদ
  • বিমানঘাঁটি
  • তিস্তা রেলসেতু

কুড়িগ্রাম জেলাঃ কুড়িগ্রাম জেলার দর্শনীয় স্থান

  • শাহী মসজিদ
  • চন্ডী মন্দির
  • চিলমারী বন্দর
  • ভেতর বন্ধ জমিদার বাড়ি
  • মুন্সিবাড়ি
  • ধনলা ব্রিজ কোটেশ্বর শিব মন্দির

গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা জেলার দর্শনীয় স্থান

  • বর্ধনকুঠি
  • নলাডাঙ্গা জমিদার বাড়ি
  • ড্রিমল্যান্ড পার্ক
  • শাহ সুলতান গাজী মসজিদ
  • পৌর পার্ক
  • ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার

দিনাজপুর জেলাঃ দিনাজপুর জেলার দর্শনীয় স্থান

  • ঘোড়াঘাট দুর্গ
  • সীতাকোট বিহার
  • সুরা মসজিদ
  • নয়াবাদ মসজিদ
  • রামসাগর
  • স্বপ্নপুরী
  • কালেক্টরেট ভবন
  • সার্কিট হাউস ও জুলুমসাগর
  • দিনাজপুর ভবন
  • সিংড়া ফরেস্ট
  • হিলি স্থলবন্দর

বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান

আপনি যদি ভ্রমণ বিলাসী হয়ে থাকেন তাহলে সবার আগে আপনার জেনে নেওয়া দরকার, বাংলাদেশের সেরা দর্শনের স্থান গুলো সম্পর্কে। বাংলাদেশের সেরা দর্শনের স্থান সম্পর্কে আপনার জানা থাকলে আপনি খুব সহজেই যে কোন একটি জায়গা বাছাই করে নিয়ে এটি ভ্রমণ করতে পারেন। আপনি যদি বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানগুলো সম্পর্কে অবগত না থাকেন তাহলে, এই পোস্টের মধ্যে দিয়ে এখনই জেনে নিন বাংলাদেশের সেরা দর্শনের স্থান গুলো সম্পর্কে। চলুন তাহলে নিজে আলোচনা শুরু করা যায় বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান নিয়ে।

সেন্ট মার্টিনঃ সুন্দর এবং মনোমুগ্ধকর একটি জায়গার নাম হলো সেন্ট মার্টিন। এটি একটি প্রবাল দ্বীপ। এবং সেন্ট মার্টিনের ডাব অত্যন্ত বিখ্যাত, কারণ এখানকার দাপের পানে অত্যন্ত সুস্বাদু এবং সুমষ্ট।

কক্সবাজারঃ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত হল কক্সবাজার। অনেক প্রাচীন স্থাপনা রয়েছে এই কক্সবাজারকে ঘিরে। ভ্রমণি মানুষদের জন্য কক্সবাজার একটি অন্যতম স্থান।

খাগড়াছড়িঃ ভ্রমণ বিলাসীদের জন্য ভ্রমণ করার মতন আরেকটি চমৎকার জায়গা হল খাগড়াছড়ি জেলা এখানে রয়েছে ঝুলন্ত ব্রিজ , রহস্য গুহা , ঝরনা এবং পাহাড়ের অভূতপূর্ব সুন্দর।

সিলেটের চা বাগানঃ সিলেটের জাফলং, যা নাকি বাংলাদেশের রাজকন্যা হিসেবে সবার কাছে পরিচিত। এখানে রয়েছে সুদীর্ঘ চায়ের বাগান, সারাদেশের চা এর বেশিরভাগ চাহিদা এই সিলেট থেকেই পূরণ করা হয়। সিলেটের চা বাগান দর্শনার্থীদের মন কাড়ার মতন আরেকটি অন্যতম স্থান।

বিছানাকান্দিঃ এটিও সিলেটে এই অবস্থিত। বিছানাকান্দির দর্শনীয় হয়ে উঠেছে মেঘালয় পাহাড় বয়ে আসা ঠান্ডা পানির টোটো ধরা থেকে। পানির এই স্বচ্ছ ধারা কি তৈরি করেছে মোনোরম এক পরিবেশ।

সাজেকঃ আপনি যদি পাহাড়ের বাজে বাজে মেঘের ভেলা দেখতে চান তাহলে আপনাকে যেতে হবে রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত সাজেক এ।

নীলগিরিঃ বান্দরবান জেলায় অবস্থিত নীলগিরির আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখান থেকে আপনি সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য দেখতে পাবেন। নীলগিরির সবচাইতে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এখানে আপনি নিজের হাতে দেখতে পারবেন।

চলনবিলঃ এটি আমরা সবাই জানি যে আমাদের বাংলাদেশের সবচাইতে বড় ভিলেন নাম হলো চলন বিল। বর্ষাকালে আশেপাশের প্রায় তিনটি জেলা জুড়ে পানিতে পরিপূর্ণ থাকে এই চলনবিন। এবং এই চলনবিলটি উপভোগ করার জন্য অনেক দূর দূর থেকে ভ্রমণ বিলাসিতা ছুটে আসে।

ছেঁড়া দ্বীপঃ ভ্রমণ বিলাসীদের জন্য আরেকটি উল্লেখযোগ্য জায়গা হল ছেড়া দ্বীপ এটি রয়েছে বাংলাদেশের সীমানার শেষ বিন্দুতে। এটি সাধারণত পাথরের একটি দ্বীপ যা রয়েছে বঙ্গোপসাগরের মাঝখানে এবং সেন্ট মার্টিনের বিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবে পরিচিত।

কুয়াকাটাঃ এই কুয়াকাটাতে আসলে আপনি দেখতে পাবেন সমুদ্রের মাঝখান থেকে সূর্যের উদয় হওয়া  এবং সন্ধ্যার আগে সমুদ্রের বুকে সূর্যের অদৃশ্য হওয়া এটি হলো কুয়াকাটার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। সাগরকন্যা কুয়াকাটা কে অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি ও বলা হয়ে থাকে। আপনি চাইলে সময় করে কুয়াকাটা ঘুরে আসতে পারেন।

সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রো বন হল সুন্দরবন । শুধু দেশের নয় বিদেশ থেকেও অনেক ভ্রমণ বিলাসী লোকেরা সুন্দরবন ভিজিট করতে আসেন। সুন্দরবনে আসলে আপনি জোয়ার ভাটার অপরূপ চিত্র দেখতে পাবেন।

নিঝুম দ্বীপঃ বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত নিঝুম দ্বীপ। এখানকার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো বঙ্গোপসাগরের উত্তাল ঢেউ এবং অপর প্রান্ত থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়া। নিঝুম দ্বীপের চিত্রটি দেখলে মনে হয় এটি যেন শিল্পীর হাতে তৈরি করা একটি ছবি।

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থানসমূহ

এবার আমরা জানবো বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থানসমূহের নাম সম্পর্কে। বাংলাদেশে বেশ কিছু ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে যেগুলো পর্যটন করলে আপনি এর ইতিহাস সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবে। চলুন তাহলে সংক্ষেপে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

ময়নামতিঃ রানী ময়নামতির নাম অনুসারে এখানকার নামকরণ করা হয় ময়নামতি নামে। ময়নামতি ছিলেন রাজা মানিক চন্দ্রের স্ত্রী। এই ময়নামতিতে রয়েছে হিন্দু ও বৌদ্ধদের ধর্মের বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা এবং সেই নিদর্শনগুলো সংরক্ষণের জন্য এখানে একটি জাদুঘর তৈরি করা হয়েছে।

মহাস্থানগড়ঃ বগুড়া জেলা অবস্থিত এই ঐতিহাসিক। পূর্ব দিক দিয়ে বয়ে গেছে করতোয়া নদী। এই অঞ্চলেই একসময় গড়ে উঠেছিল পুন্ড্র নগরী। শাহ সুলতান বকলি পরশুরাম রাজা কে পরাজিত করে এই মহস্থান গড়ে ইসলামের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। এখনো সেখানে এই আউলিয়ার মাজার রয়েছে।

সোমপুর বিহারঃসোমপুর বিহার যেটি নাকি বৌদ্ধবিহার নামে বেশি পরিচিত। সোমপুর বিহার স্থাপন করা হয়েছিল পাল বংশের রাজার ধর্ম পালের শাসন আমলে। সোমপুর বিহারের মোট পক্ষ সংখ্যা হল ১১৭। এখানেও হিন্দু ও বৌদ্ধদের ধর্মীয় বিভিন্ন নিদর্শন পাওয়া যায়।

পাহাড়পুরঃ রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত নওগাঁ জেলায় পাহাড়পুর অবস্থিত। এই নিদর্শনটি হলো বৌদ্ধ যুগের বড় একটি নিদর্শন। পাহাড়পুর এর খনন কাজ শুরু করা হয়েছিল ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে।

সোনারগাঁওঃ বাংলাদেশের আরেকটি ঐতিহাসিক স্থান হল সোনারগাঁও। সোনারগাঁও এর নামকরণ করা হয়েছিল ইসাখার আমলে তার স্ত্রীর নাম অনুসারী। ঐতিহাসিক স্থান সোনারগাঁও রয়েছে পঞ্চম পীরের মাজার , গিয়াস উদ্দিন আজম সাহেবের কবর এবং হোসেন শাহ নির্মিত মসজিদ।

লালবাগ কেল্লাঃ আরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা আজম ১৬৭৮ সালের লালবাগের কেল্লা নির্মাণের কাজ শুরু করে এবং এই নির্মাণের কাজ শায়েস্তা খায়ের আমলে শেষ। তিনটি পুরাকৃতি দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে লালবাগের কেল্লাটি এগুলো হলো-পরিবির মাজার , দরবার হল , তিন গম্বুজ মসজিদ।

পরী বিবির মাজারঃ শায়েস্তা খানের মেয়ের নাম ছিল পরি বিবি ।১৬৮৪ সালে ইন্তেকালের পর তার কবরের ওপরে এই স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়। এটি প্রধানত তাজমহল কে অনুসরণ করে বানানো হয়।

উত্তরা গণভবনঃ রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত নাটোর শহরের অবস্থিত উত্তরা গণভবন। রাজা প্রমোথ নাথ রায় ১৮৯৭ সালে এই ভবনটি নির্মাণ করেছিলেন, পরবর্তীতে শেখ মুজিবুর রহমান এটির নাম পরিবর্তন করে 1972 সালে উত্তরা গণভবন রাখেন। 

বাহাদুর শাহ পার্কঃ বাহাদুর শাহ পার্ক নামকরণ করার আগে  এটি ছিল আর্মেনীদের ক্লাব হিসেবে । ১৮৮৫ সালে ভারতের শাসনভার যখন রাণী ভিক্টোরিয়া গ্রহণ করে তখন তিনি এর নাম পরিবর্তন করে ভিক্টোরিয়া পার্ক রাখেন।

ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনের গুরুত্ব

আমরা আলোচনা করব ঐতিহাসিক স্থান গুলো পরিদর্শন করা জরুরী কেন। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ঐতিহাসিক স্থানগুলো পরিদর্শনের গুরুত্ব সম্পর্কে। আমরা যদি ঐতিহাসিক স্থানগুলো পরিদর্শন করি তাহলে এর মাধ্যমে আমরা।

  • অতীতের বিভিন্ন সভ্যতার সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারবে
  • বিভিন্ন সংস্কৃতি সম্পর্কে আমাদের ধারণা আসবে
  • শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের প্রসার ও প্রচার হবে
  • ঐতিহাসিক স্থানগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে আমরা জানতে পারবো কোন স্থান কিসের জন্য বিখ্যাত ছিল
  • আরও জানতে পারবো কোন জাতি কতটা সমৃদ্ধি অর্জন করেছিল

ঐতিহাসিক স্থান গুলো সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন

আমাদের দেশে অনেকগুলো ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে। আমাদের উচিত সেই ঐতিহাসিক স্থান গুলো সংরক্ষণ করা। এবার আপনাদের সাথে আলোচনা করা হবে ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন এই বিষয়টি। চলুন এবার তাহলে জেনে নেয়া যাক ঐতিহাসিক স্থান গুলো সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন

ঐতিহাসিক স্থান গুলোর মধ্যে দিয়ে আমরা অতীতের সভ্যতা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি এবং অতীতের বিভিন্ন সংস্কৃতি সম্পর্কে আমাদের ধারণা। ঐতিহাসিক স্থানগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের ভান্ডার বিস্তৃত হয় এবং তারা এগুলো নিয়ে গবেষণার কাজ চালিয়ে যেতে পারে। ঐতিহাসিক স্থানগুলো সংরক্ষণ করা থাকলে এগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে আমরা জানতে পারবো কোন জাতি কতটুকু সমৃদ্ধি অর্জন করেছিল এবং কোন এলাকার কিসের জন্য বিখ্যাত ছিলো। এছাড়াও দেশের ঐতিহাসিক স্থানগুলো সংরক্ষণ করা হলে এগুলো পরিদর্শন করতে দেশ-বিদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের পর্যটকরা আসা যাওয়া করবে এবং এর মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে। 

এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান এবং বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান গুলো সম্পর্কে। আপনি যদি ভ্রমণ করতে চান তাহলে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান এবং বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান গুলো মধ্যে থেকে আপনার পছন্দের স্থানগুলো ঘুরে দেখতে পারেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url